অক্ষয়কুমার দত্ত - বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার পথিকৃৎ

ইতিহাসে ক্বচিৎ এমন সমাপতন দেখা যায়। জগত বিখ্যাত দুই জার্মান সমচিন্তক চিন্তাবিদ এবং সামাজিক সংগ্রামের সহকর্মী কার্ল মার্ক্স (১৮১৮) এবং ফ্রেডরিক এঙ্গেলস (১৮২০) –এর সমসাময়িক সময়ে এই বঙ্গে জন্মেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০) এবং অক্ষয়কুমার দত্ত (১৮২০), যাঁরা সারা জীবন পরস্পরের সহযোগী ছিলেন সমাজসংস্কার আন্দোলনে তথা নতুন ভাবনার ভাগীরথীতে। আক্ষেপের কথা এই, বিদ্যাসাগরকে নিয়ে আমরা বুঝি না বুঝি, চর্চা করেছি। কিন্তু অক্ষয় কুমার দত্তকে আমাদের বুদ্ধিচর্চার চর্যাপদ থেকে প্রায় বাদ দিয়ে রেখেছি। বুঝিনি শুধু নয়, বোঝবার চেষ্টাই করিনি।  বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার পথিকৃৎ ও প্রথম বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী অক্ষয়কুমার দত্ত-কে বিনম্র শ্রদ্ধা জানানোর অঙ্গ হিসেবে এই লেখা তাঁকে জানার, চেনার ও বোঝার প্রয়াস।

অক্ষয়কুমার দত্তে - বিস্মৃতির অন্তরালে

বর্ধমান জেলায় নবদ্বীপের কাছে চুপী গ্রামে ১৮২০ সালের ১৫ জুলাই জন্মেছিলেন অক্ষয়। পিতা পীতাম্বর দত্ত এবং মাতা দয়াময়ী দেবীর কনিষ্ঠ পুত্র অক্ষয়কুমার। তাঁর পিতা কলকাতায় পুলিশে চাকরি করতেন। গ্রামের স্কুলে কিছুদিন পড়ার পর অক্ষয় কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে পড়তে আসেন। কয়েক বছর পড়াশোনা করার পর পিতার মৃত্যু হলে তাঁকে লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হয়। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এতদূর পর্যন্তই।

কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয় তাঁকে। তবে পড়াশোনার অভ্যেস তিনি ত্যাগ করেন নি। অদম্য ছিল তাঁর জ্ঞানস্পৃহা। বাড়িতে বসেই তিনি পড়াশোনা করে গণিত, জ্যামিতি, বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, ভূগোল, পদার্থবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। স্কুলের ইংরেজ শিক্ষক, বহুভাষাবিদ পণ্ডিত জেফ্রয়ের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় ইংরেজি, বাংলা, সংস্কৃত, ফার্সি, ল্যাটিন, হিব্রু ও জার্মান ভাষাতেও তিনি পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। আমিরউদ্দীন মুন্সির কাছে শেখেন ফারসি ও আরবি ভাষা। পরবর্তীকালে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক থাকার সময় কিছুদিন তিনি কলকাতা মেডিকেল কলেজে গিয়ে অতিরিক্ত ছাত্র হিসেবে উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা, রসায়নশাস্ত্র ও প্রকৃতিবিজ্ঞান পড়েছিলেন।

মাত্র ১৪ বছর বয়সেই অক্ষয়কুমার রচনা করে ফেলেন অনঙ্গমোহন কাব্যগ্রন্থ। একটু বড় হয়ে, তিনি ঈশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার জন্য ইংরেজী সংবাদপত্র থেকে প্রবন্ধাবলী বঙ্গানুবাদ শুরু করেন। এইভাবে গদ্য রচনার সূত্রপাত। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ গঠন করলে তিনি তার সভ্য হন ১৯৩৯ সালে এবং কিছুদিন এই সভার সহ-সম্পাদকও ছিলেন। ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে অক্ষয়কুমার দত্ত মাসিক আট টাকা বেতনে তত্ত্ববোধিনী পাঠশালার ভূগোল ও পদার্থবিদ্যার শিক্ষক নিযুক্ত হন। এই বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষায় পাঠদানের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বাংলায় এসব বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক না থাকায় তিনি ১৮৪১ সালে ‘ভূগোল’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন, যা তত্ত্ববোধিনী সভা থেকে প্রকাশিত হয়; তখন তাঁর বয়স মাত্র ২১। ১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে টাকির প্রসন্নকুমার ঘোষের সহযোগিতায় ‘বিদ্যাদর্শন’ নামক একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। দু'টি সংখ্যার পর পত্রিকাটি অবশ্য বন্ধ হয়ে যায়।

আগস্ট ১৬, ১৮৪৩ তারিখে তাঁর সম্পাদনায় ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা আত্মপ্রকাশ করে। যদিও পত্রিকার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রাহ্মধর্ম প্রচার, কিন্তু অক্ষয়কুমার দত্ত ও তাঁর বন্ধু বিদ্যাসাগরের কারণে এটি সে সময়ে সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস ও সমাজ সংস্কার বিষয়ে একটি অগ্রণী পত্রিকায় পরিণত হয়। স্ত্রী-শিক্ষার প্রসার বিধবাবিবাহের সমর্থন, বাল্যবিবাহের বিরোধিতা ও বিবিধ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে যুক্তিবহুল বলিষ্ঠ লেখা এতে প্রকাশিত হত। ১২ বছর নির্ভীকতার সঙ্গে এই পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।

বিধবাবিবাহকে তিনি কী পরিমাণ সমর্থন করতেন, পৌত্র সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের (ছন্দের জাদুকর) লেখা অক্ষয়কুমারের  সংক্ষিপ্ত জীবনীতে বর্ণিত একটি ঘটনা থেকে তার প্রমাণ পাওয়া যায়। একবার অক্ষয় দত্তের এক কর্মচারী কয়েক হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। তাঁকে চিঠি লিখে জেল-পুলিশের ভয় দেখালে তিনি জবাবে তাঁকে জানান, ‘আপনি আমাকে বলেছিলেন আমি বিধবাবিবাহ করলে আমাকে পুরস্কার দেবেন। আমি বিধবাবিবাহ করেছি।’ অক্ষয়কুমার খোঁজ নিয়ে জানলেন, সত্যিই তিনি একজন বিধবাকেই বিয়ে করেছেন। তিনি সেই কর্মচারীকে চিঠি লিখলেন, ‘তোমার সকল অপরাধ ক্ষমা করলাম’।’

‘ভূগোল’ প্রকাশের পনেরো বছর পর প্রকাশিত তাঁর ‘পদার্থবিদ্যা’ বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানের বই। এ ছাড়া বিজ্ঞানের ও সাধারণ জ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা ‘চারুপাঠ’ (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড) পাঠ্যপুস্তক হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছিল। এসব গ্রন্থে প্রথম ব্যবহৃত— মাধ্যাকর্ষণ, আহ্নিক গতি, বিষুব রেখা, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমা, চুম্বক, বিকিরণ, তড়িৎ, সুমেরু, কুমেরু, স্থিতিস্থাপকতা, আপেক্ষিক গতি, ভারকেন্দ্র, দূরবীক্ষণ, অণুবীক্ষণ—ইত্যাদি অসংখ্য পরিভাষা আজ বাংলা ভাষার অঙ্গীভূত হয়েছে এবং আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করছি।

অক্ষয় দত্তের একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ‘ভারতবর্ষীয় উপাসক-সম্প্রদায়’। এই গ্রন্থে ভারতের উপাসক সম্প্রদায় সম্পর্কে তাঁর নিজের অনুসন্ধানলব্ধ তথ্য ও পর্যবেক্ষণ রয়েছে। বিখ্যাত জার্মান ভারতবিদ ম্যাক্সমুলার এ বইটি পড়ে অক্ষয় দত্তকে চিঠি লিখেছিলেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছিলেন এই অসাধারণ বইটির জন্য অক্ষয়কুমার দত্তের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অক্ষয়কুমার ১৮৪৩ সালের ২১-শে ডিসেম্বর রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের কাছ থেকে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা নিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলনে শরিক হয়ে ও নিজের ক্রমান্বয়িক জ্ঞানার্জনের ফলে পরবর্তীতে ব্রাহ্ম সমাজ পরিত্যাগ করেন। অক্ষয়কুমার মধ্য বয়সে ফরাসি দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একাত্মাবাদ গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে আবার প্রাথর্নার প্রয়োজন অস্বীকার করেন এবং পরিণত হয়ে ওঠেন বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদে বিশ্বাসী একজন অজ্ঞেয়বাদীতে।

যাত্রার ‘শুভ-অশুভ’ ক্ষণ বলে কিছু যে নেই তা প্রমাণ করার জন্য শাস্ত্রে ‘অশুভ’ এমন দিনক্ষণ দেখে তিনি ভ্রমণে বেরোতেন। অক্ষয় দত্তও হিন্দু ও ব্রাহ্মদের নিকট ঐশ্বরিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত বেদকে মানুষের রচনা এবং সে কারণেই অভ্রান্ত নয় বলে ঘোষণা করেন। তবে অক্ষয় দত্ত তাঁর ঈশ্বরবিষয়ক একটি সমীকরণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। হিন্দু হোস্টেলের ছাত্ররা একবার তাঁর কাছে, প্রার্থনার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি একটি সমীকরণ দিয়ে উত্তর দিয়েছিলেন

পরিশ্রম = শস্য

পরিশ্রম + প্রার্থনা = শস্য

অতএব, প্রার্থনা = শূন্য।

অর্থাৎ প্রার্থনায় কিছু যায় আসে না।

ধর্ম–সম্পর্কিত এই দৃষ্টিভঙ্গির জন্য ব্রাহ্মসমাজের পত্রিকা ‘তত্ত্ববোধিনী’তে কাজ করা অক্ষয় দত্তের জন্য অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে। বিদ্যাসাগর শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘নরমাল স্কুল’এর প্রধান শিক্ষক করে নিয়ে আসেন বন্ধু অক্ষয়কে। তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।

বিদ্যাসাগর শাস্ত্র না মানলেও যেভাবে শাস্ত্র থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে প্রমাণ করেন যে বিধবাবিবাহ শাস্ত্রসম্মত, তেমনি শাস্ত্র না-মানা অক্ষয়ও নারী শিক্ষার সমর্থনে হিন্দু শাস্ত্র থেকে উদাহরণ দিয়ে সেগুলোকে নারী শিক্ষার সমর্থক বলে ব্যাখ্যা করতেন। 

বাংলা ভাষার প্রসারে তিনি যে গুরুত্ব দিতেন, তা অতুলনীয়। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের শতবর্ষ আগে তিনি অফিস–আদালত ও উচ্চশিক্ষাসহ সব স্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের কথা বলেছিলেন। প্রখ্যাত শিক্ষাব্রতী ডেভিড হেয়ারের মৃত্যুর পর তিনি প্রথা ভেঙে বাংলায় বক্তৃতা দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

অক্ষয় দত্তের শিক্ষাচিন্তার আধুনিকতা এবং আজকের প্রাসঙ্গিকতা দেখে স্তম্ভিত হতে হয়। এখন আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে মুক্ত করা নিয়ে চিন্তিত। দেড়'শ বছর আগে অক্ষয় দত্ত কী বলেছিলেন শুনুন -

‘কালেজ ও স্কুলে যেরূপ শিক্ষাপ্রণালী ব্যবহৃত হইতেছে তাহা কেবল স্মরণশক্তি উন্নতিসাধনপক্ষে বিশেষ অনুকূল, বুদ্ধিবৃত্তির পরিচালনা ও উন্নতিসাধনের পক্ষে তত অনূকূল নহে। শুনিতে পাওয়া যায় যে, প্রধান প্রধান কালেজের অধ্যাপকেরা ছাত্রদিগকে কোনো প্রশ্ন করেন না। কেবল গ্রন্থের ব্যাখ্যা করিয়া যান, ছাত্রেরা কেবল নোট লয়। ইহাতে বুদ্ধিবৃত্তির কীরূপ পরিচালনা হইতে পারে, পাঠকবর্গ তাহা সহজে বুঝিতে পারেন।’

অক্ষয়কুমার দত্ত শারীরিক অসুস্থতার জন্য বেশি ঘোরাঘুরি করতে পারতেন না। ফলে তাঁর সামাজিকভাবে উপস্থিতি ক্রমশ কমে আসছিল। সেটা অবশ্য সাপে বর হয়েছিল। প্রচন্ড শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চাকুরি করা থেকে বিরত হন ও ১৮৫০ এর দশকে তিনি বালিতে এসে বসবাস করতে শুরু করেন। তাঁর জীবনের শেষ তিরিশটি বছর (১৮৫৬ - ১৮৮৬) তিনি বালিতে কাটান। আজ দেওয়ান গাজী তালায় যেটি ‘হরমিলার ডক’ বলে পরিচিত, সেটি তাঁর শেষ জীবনের বসতবাড়ি। উদ্ভিদপ্রেমিক অক্ষয়কুমার বাড়িটির নাম দিয়েছিলেন ‘শোভনোদ্যান’। ৩৫ রকমের গাছ , ১৫ রকমের ফুলগাছ, ১৬ রকমের মশলাজাতীয় গাছের পাশাপাশি বাড়ির ভেতরে ছিল ভূতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা; জীবাশ্ম, প্রবাল, নানাবিধ পাথর ছিল তাঁর  সংগ্রহশালায়। নিরিবিলি প্রকৃতির সান্নিধ্যে  বালির বাড়িতে বসে নিরলস গবেষণার ভিত্তিতে আমৃত্যু যে কাজগুলো করে গেছেন সেগুলো আমাদের অক্ষয় ঐতিহ্য, অমূল্য ঐতিহ্য।

১৮৮৬ সালে ১৮ মে মৃত্যুবরণ করেন জ্ঞানতাপস অক্ষয়কুমার দত্ত। ৩৬৭, জিটি রোড, বালি, হাওড়ায় তাঁর সাধের শোভনোদ্যান বাড়িটি এখন ভগ্নপ্রায়, অন্তিম দশা। আজ অবধি কোনো দেখভাল, সংরক্ষণ হয়নি। এখন বাড়িটির অবস্থা করুণ। বহু স্মৃতিবিজড়িত বর্তমানে জরাজীর্ণ বাড়িটিকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে অক্ষয়কুমার দত্তের কাজের উপর একটা গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলে আপামর বাঙালি তথা ভারতবাসীরই উপকার হবে।

তাঁর মৃত্যুর পর ক্রমে ক্রমে বাঙালিদের চিন্তা জগত থেকে তিনি কার্যত বিস্মৃতির অন্তরালে তলিয়ে গেছেন। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অক্ষয়কুমার দত্তের আদর্শ ও দর্শন খুবই প্রাসঙ্গিক। বর্তমানে ধর্মীয় উন্মাদনা ও অন্ধবিশ্বাসের গ্যাঁড়াকলে অনেকক্ষেত্রে আমরা আলোর থেকে অন্ধকারের দিকে এগোচ্ছি। এটা যদি ঠেকাতে হয় তবে সবচেয়ে বড়ো হাতিয়ার হতে পারেন অক্ষয়কুমার দত্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় আমরা তাঁকে উপযুক্ত গুরুত্ব দিইনি, আজও দিচ্ছি না।

(সংকলন - তারিনী খুড়ো)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন