যে প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ না করে স্বাধীন ভারতের উন্নয়নযজ্ঞের কাহিনী বলাই যাবে না, যিনি ‘প্রফেসর’ নামেই বিখ্যাত দেশে-বিদেশে, সেই প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশের আজ প্রয়াণ দিবস আর আগামীকাল তাঁর জন্মদিন। ভারতে আধুনিক পরিসংখ্যানের জনক এই মানুষটিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার পাশাপাশি আসুন ভালো করে চেনার চেষ্টা করি মানুষটিকে।
প্রশান্তচন্দ্রের জন্ম ১৮৯৩ খ্রীস্টাব্দের ২৯শে জুন। ছয় ভাইবোনের সবচেয়ে বড় প্রশান্ত চন্দ্রদের আদি বাড়ি ঢাকায় হলেও জন্মস্থান কলকাতা। তাঁর পিতার নাম প্রবোধচন্দ্র মহলানবীশ। মাতা নীরদবাসিনী দেবী। পিতা কলকাতার অন্যতম লব্ধপ্রতিষ্ঠ ব্যবসায়ী ছিলেন। প্রশান্তচন্দ্রের মামা ছিলেন ভারতবিখ্যাত চিকিৎসক ডাক্তার নীলরতন সরকার। প্রশান্তচন্দ্রের ঠাকুরদা গুরুচরণ ব্রাহ্মসমাজের মতো সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এবং একজন বিধবাকে বিবাহ করে সমাজের রীতিনীতিগুলির বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন। এছাড়াও প্রশান্তচন্দ্রের বড় জ্যাঠা সুবোধচন্দ্র এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীর বিজ্ঞান পড়াশোনা করার পর রয়্যাল সোসাইটি অফ এডিনবার্গের ফেলো হিসাবে নির্বাচিত হওয়া ছাড়াও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি অফ ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলান। পরবর্তীতে সুবোধচন্দ্র ভারতে ফিরে এসে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের ফিজিওলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের সদস্যও হন। এতসব বললাম এটা বোঝাতে যে, প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ বুদ্ধিজীবী এবং সংস্কার মুক্ত এক সামাজিক সক্রিয় পরিবারে বেড়ে ওঠেন।
প্রশান্তচন্দ্র ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী। ১৯০৮ খ্রীস্টাব্দে ব্রাহ্ম বয়েজ স্কুল থেকে বিদ্যালয়ের পাঠ সমাপ্তির পর তিনি প্রেসিডেন্সী কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯১২ খ্রীস্টাব্দে ছাত্রজীবন পদার্থবিদ্যায় অনার্সসহ বি.এস.সি. ডিগ্রী অর্জন করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে তিনি শিক্ষক হিসেবে জগদীশচন্দ্র বোস এবং প্রফুল্ল চন্দ্র রায়-এর মতন দিকপালকে পেয়েছিলেন। মেঘনাদ সাহা এবং সুভাষ চন্দ্র বসু তাঁর কলেজের জুনিয়র ছিলেন। উচ্চ শিক্ষার জন্য ১৯১৩ সালে তিনি ইংল্যাণ্ড যান। সেখানে লণ্ডনের কিংস কলেজে ভর্তি হন। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯১৫ খ্রীস্টাব্দে পদার্থবিদ্যা ও গণিতে প্রথম শ্রেণীর অনার্সসহ ট্রাইপ্স পদক লাভ করেন।
ইংল্যান্ড থেকে ফেরার সময় জাহাজ ছাড়তে দেরি করেছিল অনেকটাই। এই ঘটনাতেই অনেকটা বদলে গেল ভারতীয় বিজ্ঞানের ইতিহাস। কেমন করে, সে কথাতেই আসছি। ১৯১৫-তে কেমব্রিজের পাঠ শেষ করে দেশে ফিরবেন প্রশান্ত। তখন অশান্ত মহাযুদ্ধের সময়। জাহাজ ছাড়ার সময় পিছিয়ে গে’ল। বাক্সবিছানা সবই তো গোছানো, এখন সময় কাটাবেন কী করে? ইত্যবসরে প্রশান্তচন্দ্র গেলেন কিংস কলেজের লাইব্রেরিতে। ঘুরে ঘুরে বই দেখে চললেন। প্রশান্তর বিজ্ঞান বই সম্বন্ধে আগ্রহ চোখে পড়ল সেখানকার শিক্ষক ম্যাকালের। তিনি প্রশান্তচন্দ্রর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন ‘বায়োমেট্রিকা’ নামক সেই সময়কার বিশিষ্ট স্ট্যাটিসটিক্স জার্নালের দিকে। এক সেট বই কিনে নিলেন মহলানবিশ। যেন বাস্তবিক অর্থেই সোনার ধানে তরী ভরে নিলেন। পড়তে পড়তে বুঁদ হয়ে গেলেন, কলকাতায় ফিরেও চলল তাঁর ন’খণ্ডের ‘বায়োমেট্রিকা’ পড়া। বদলে গেল জীবনের গতিপথ। জন্ম হল এক যুগস্রষ্টা রাশিবিজ্ঞানীর। এ দেশে সূচিত হল এক নতুন ধরনের বিজ্ঞান-চর্চার ধারা, যা প্রবাহিত হয়ে চলেছে আজও, সাড়ম্বরে।
কলকাতায় ফিরে প্রশান্তচন্দ্র ইণ্ডিয়ান এডুকেশনাল সার্ভিসে যোগদান করেন। প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যাপকরূপে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। এই কলেজের সঙ্গে তিনি ১৯১৫ খ্রীস্টাব্দ থেকে ১৯৪৮ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় একটানা তেত্রিশ বছর নানাভাবে যুক্ত ছিলেন। যেমন ১৯৪৪ পর্যন্ত অধ্যাপকরূপে (১৯২১ খ্রীঃ থেকে বিভাগীয় প্রধানরূপে) ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত অধ্যক্ষরূপে; এমন কি অবসর গ্রহণের পরেও তিনি প্রেসিডেন্সীর ‘এমিরিটাস প্রফেসর’ ছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাশিবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪১-এ, যা এশিয়ার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্নাতকোত্তর স্ট্যাটিসটিক্স ডিপার্টমেন্ট। মহলানবীশ তাঁর বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব সামলান। পদার্থবিদ্যার অধ্যাপকরূপে প্রশান্তচন্দ্রের কর্মজীবন শুরু হলেও অচিরেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর পরিচয় ও খ্যাতি বিস্তৃত হতে শুরু করে। ১৯২৩ খ্রীস্টাব্দে তিনি আলিপুরের আবহমন্দিরের ডিরেক্টর পদে আসীন হন। এছাড়াও ১৯২১ থেকে ১৯৪৮ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত প্রশান্তচন্দ্র বিশ্বভারতীর সাম্মানিক সম্পাদক (Honorary Secretary ) ছিলেন।
গভীর পর্যবেক্ষণের সাহায্যে কোন বিষয় সম্বন্ধে সংখ্যামূলক তথ্য সংগ্রহ করে, তা থেকে তুলনা, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা প্রভৃতির সাহায্যে কোন তত্ত্বে উপস্থিত হওয়ার বিজ্ঞানসম্মত শাস্ত্রের নাম রাশিবিজ্ঞান। রাশিবিজ্ঞানের দিকে আকৃষ্ট হওয়া প্রশান্ত চন্দ্র ডাক পান কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুপণ্ডিত ব্রজেন্দ্রনাথ শীল-এর কাছ থেকে, তৎকালীন পরীক্ষা ব্যবস্থা সম্বন্ধে সমীক্ষা করার জন্য। প্রশান্তচন্দ্র প্রবল উৎসাহের সঙ্গে রাশিবিজ্ঞান সংক্রান্ত তাঁর গবেষণার বিভিন্ন বিষয় ও প্রণালী ব্যবহার করে তাঁকে সাহায্য করেন। আবার ১৯২৩ খ্রীস্টাব্দে তৎকালীন আবহাওয়া অফিসের ডিরেক্টর স্যার গিলবার্ট ওয়াকারের অনুরোধে তিনি আবহাওয়া সংক্রান্ত কয়েকটি সমস্যা রাশিবিজ্ঞান পদ্ধতি প্রয়োগে করে সহজেই সমাধান করেন।
তাঁর অনেক সহকর্মী পরিসংখ্যানগত পড়াশুনোর জন্য আগ্রহী ছিলেন দেখে তিনি তাঁদের সঙ্গে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে নিজের ঘরে একটি স্ট্যাটিসটিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করেন। তাঁর প্রয়াস ও উদ্যোগেই এই গণ্ডির মধ্যেই রেজিস্টার্ড সোসাইটি হিসেবে যাত্রা শুরু ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট-এর, ১৯৩১ সালে। প্রেসিডেন্সি কলেজের একচিলতে ঘর থেকে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি পরে বনহুগলির ক্যাম্পাস, দেশের বিভিন্ন শহরে শাখা প্রতিষ্ঠা, জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হওয়া— ক্রমে মহীরুহ হয়ে উঠেছে আইএসআই; আর, অবিচ্ছেদ্য হয়েছে ভারতের উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে। নমুনা সমীক্ষার পদ্ধতি তৈরি করা, সেই সমীক্ষার ফলাফলের মান্যতা বিচার করার মাপকাঠি নির্মাণ, বন্যা-খরার আর্থিক পরিমাপ, স্ট্যাটিস্টিকাল কোয়ালিটি কনট্রোল আর অপারেশন রিসার্চ-এর মতো দুটি অসীম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ভারতে নিয়ে আসা— আইএসআই ছিল সদ্য-স্বাধীন দেশের উন্নয়নের কলকব্জা তৈরির কারখানা।
নৃবিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণায়ও প্রশান্তচন্দ্র বিশেষ পারদর্শিতার পরিচয় দেন। তিনি উপলব্ধি করেন সামাজিক প্রগতি এবং রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার সাফল্যের জন্যও পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এই বিষয়ে প্রশান্ত চন্দ্রের প্রথম উল্লেখযোগ্য গবেষণা- -The Statistical Analysis of Anglo-Indian Stature’, ১৯২২ খ্রীস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। নৃতত্ত্বে তাঁর সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ গবেষণা “Analysis of Race Mixture in Bengal”। এই নিবন্ধে লেখকের দৃষ্টিভঙ্গীর মৌলিকতা এবং বিশ্লেষণ পদ্ধতি লক্ষণীয়। রাশিবিজ্ঞানের সঙ্গে নৃবিজ্ঞানের সমন্বয় প্রশান্তচন্দ্রের জীবনের আর এক অবিস্মরণীয় কীর্তি। এই সমস্ত গবেষণায় তিনি যে নতুন জটিল পরিসংখ্যানাশ্রয়ী বিশ্লেষণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, তা মহলানবীশ ডি-স্কোয়ার ডিসট্যান্স’ (Mahalanobish D2 -Distance Function ) নামে পরিচিত। জনগণনার ক্ষেত্রে এখনও তাঁর আবিষ্কৃত পদ্ধতি 'মহলানবীশ ডিসট্যান্স' ব্যবহার করা হয়। সংখ্যাতত্ত্ব সংক্রান্ত এই সমস্ত গবেষণার জন্য ১৯৪৪ খ্রীস্টাব্দে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ওয়েল-ডন পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করেন। এর পরের বছরই (১৯৪৫ খ্রীস্টাব্দে) প্রশান্তচন্দ্র রয়েল সোসাইটির ফেলো (F.R.S.) নির্বাচিত হন। ১৯৫০ খ্রীস্টাব্দে তিনি ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ খ্রীস্টাব্দে প্রশান্তচন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটেরও সভাপতি হয়েছিলেন। ১৯৬১-তে তিনি পান বিশ্বভারতীর। “দেশিকোত্তম’ আর ১৯৬৮-তে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মবিভূষণ’ দান করে সম্মানিত করেন।
তিনি অনুভব করেছিলেন, ভারতের মতো বিশাল দেশে তথ্য সংগ্রহ করে পরিসংখ্যান নথিভুক্ত করলেই চলবে না, একে একটা ব্যবস্থার মধ্যে আনতে হবে। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিস ও সেন্ট্রাল স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিশনের মাধ্যমে তিনিই ভারতে একটি সার্বিক পরিসংখ্যান ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। পরিসংখ্যান বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে তাঁকে ভারতের প্রথম প্ল্যানিং কমিশনের সদস্যও করা হয়। পরবর্তীকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর আমন্ত্রণে জাতীয় আয় বৃদ্ধি, বেকার সমস্যার সমাধান ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রশান্তচন্দ্র নিজেকে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনিই দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক যোজনার তাত্ত্বিক কাঠামো রচনা করেন— যা “মহলানবীশ মডেল’ নামে পরিচিত; তাঁর একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল জাতীয় সঞ্চয় বিনিয়ে়াগের সময় প্রধান প্রধান (basic) এবং ভারী (heavy) যন্ত্রপাতি নির্মাণের কলকারখানাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। কারণ সেক্ষেত্রে স্বদেশী শিল্পই দ্রুত শিল্প নির্মাণের যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে পারবে— ফলতঃ দেশ দ্রুত শিল্পে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। প্রশান্তচন্দ্র যখন মস্কোয় সোভিয়েত যোজনার প্রধান দপ্তর ‘গসপ্ল্যান-এ কাজ করেছিলেন, তখনই তিনি এই স্বনির্ভরতার প্রতি প্রভাবিত হন।
মহলানবীশকে বলা হয় ভারতের রাশিবিজ্ঞানের ভগীরথ। কিন্তু সে অভিধা যথেষ্ট নয়। ভারতের রাশিবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মহলানবীশের অবদান ভগীরথের চেয়েও বেশি। তিনি নিজের হাতে রাশিবিজ্ঞানের বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র খনন করেছেন, সে পথে বীজ বপন করেছেন, যত্ন করেছেন, ক্রমে তা মহীরুহ হয়েছে তাঁর হাত ধরেই।
রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে প্রশান্তচন্দ্রের গভীর এক সম্পর্ক ছিল। শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রমের ছাত্র না হলেও প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ‘আশ্রমিক সংঘ’-এর সদস্য হয়েছিলেন, রবীন্দ্রনাথেরই কথায়। পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য সংকলন ‘চয়নিকা’র কবিতা বাছাই করেছিলেন মূলত প্রশান্তচন্দ্রই। শেষ পর্যন্ত তিনি রবীন্দ্রনাথের অন্তরঙ্গ সহচরদের অন্যতম হয়ে ওঠেন, বিশ্বভারতী সোসাইটির সচিবও হন। প্রশান্ত চন্দ্র ও তাঁর পত্নী রানী অনেকবার রবীন্দ্রনাথের বিদেশ ভ্রমণের সঙ্গী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ কলকাতায় এলে প্রশান্তচন্দ্রের বরানগরের বাড়িতে উঠতেন। পরে রবীন্দ্রনাথই প্রশান্তচন্দ্রের নতুন বাড়ির নাম দেন ‘আম্রপালি।
১৯৭২ সালে তাঁর ঊনআশিতম জন্মদিনের ঠিক আগের দিন মারা যান এই প্রখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ। তিনি তার শেষ জীবন অব্দধি গবেষণার কাজ নিয়ে সক্রিয় ছিলেন। বহুধা কৃতিত্বের অধিকারী এই রাশিবিজ্ঞানী ভারতীয় বিজ্ঞানে তাঁর অবদানের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
(তারিণী খুড়ো)
